Breaking News

ফেসবুকে আলাপ! পরিবারের অমতে ১০বছরের বড় বিবাহিত বাঙালি মহিলাকে বিয়ে করেন শেখর

ভারতীয় ক্রিকেটের গব্বর শিখর ধাওয়ান তার ক্রিকেট জীবন শুরু করেছিল উইকেটকিপিং করার মাধ্যমে। কিন্তু পরে অনেক বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে তিনি এখন ভারতীয় ক্রিকেটের একজন সফল ওপেনার।

প্রফেশনাল জীবন ছাড়াও ব্যক্তিগত জীবনে জীবনসঙ্গিনীকে আপন করতেও অনেক বাধার মুখে পড়তে হয়েছিল শিখরকে। কিন্তু সব বাধাবিপত্তি পেরিয়ে শিখর বর্তমানে জীবনসঙ্গিনীকে নিয়ে বেশ খুশিতেই জীবন কাটাচ্ছে।

শিখর ধাওয়ানের স্ত্রী আয়েশা মুখোপাধ্যায় একজন প্রশিক্ষিত কিক বক্সার। তাদের প্রেমালাপ শুরু হয়েছিল ফেসবুকের মাধ্যমে। শিখর হরভজন সিংয়ের ফেসবুক ফ্রেন্ডে আয়েশাকে প্রথম দেখে এবং পরে ফেসবুকের মাধ্যমেই তাদের কথাবার্তা চালু হয়। তারপর ২০০৯ সালে এনগেজমেন্ট ও ২০১২ সালে দুজনে সাত পাকে বাধা পড়েন।

আয়েশার বাবা বাঙালি কিন্তু মা ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত। আয়েশা জন্ম ভারতে হলেও ছোট বয়সেই সে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে চলে যায়। শিখরের সাথে পরিচয় হওয়ার আগেই আয়েশা ডিভোর্সি ছিল ও দুই মেয়ের মা ছিল।

এই ব্যাপার নিয়ে শিখরের কোনরকম সমস্যা ছিল না। যদিও শিখরের পরিবারের কিছুজন আয়েশার বয়সে বড় ও ডিভোর্সি হওয়াই বিয়েতে বাধা দিয়েছিল। কিন্তু শিখরের মা তার পাশে ছিল। তাই সমস্ত বাধা বিপত্তি পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত পছন্দের জীবনসঙ্গিনীকে আপন করে নিয়েছিল শিখর।

অন্যদিকে, বিয়ে করার সময় আয়েশার প্রধান শর্ত ছিল তার দুই মেয়ে রিয়া ও আলিয়াকে আপন করে নিতে হবে শিখরকে। এতে শিখরও পিছপা হয়নি। তারপর ২০১৪ সালে জন্ম হয় শিখর-আয়েশার ছেলে জোরাবরের। দুই মেয়ে এবং এক ছেলেকে নিয়ে শিখর-আয়েশার ভরপুর সুখের সংসার।

শিখর জানিয়েছে, আয়েশার সমর্থন এবং উৎসাহ তাকে সবসময় খেলতে উদ্বুদ্ধ করে। অন্যদিকে আয়েশার কথায়, শিখর ক্রিকেট নিয়ে প্যাশনেট এবং নিজের চেষ্টাতেই তিনি উন্নতি করেছে।

প্রসঙ্গত, চলতি আইপিএলে দুর্দান্ত ফর্মে আছে শিখর ধাওয়ান। পরপর দুটি ম্যাচে তিনি সেঞ্চুরি করে তিনি রেকর্ড গড়েছেন। অন্যান্য তারকা ব্যাটসম্যানদের ছাপিয়ে ভারতীয় ক্রিকেটের গব্বর এখন সাফল্যের শিখরে পৌঁছে গিয়েছেন।

Check Also

ওডিআই ক্রিকেট ইতিহাসে পাঁচটি সর্বোচ্চ দলীয় রান দেখুন

বরাবরই আমাদের দেশে ক্রিকেটকে উৎসব হিসাবে দেখা হয়। পাড়ার গলির ক্রিকেট ম্যাচ হোক বা স্টেডিয়ামের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *