ঊর্ধ্বমুখী করোনা সংক্রমণে উদ্বেগে রাজ্যবাসী, কমিশনকে শেষ ৩ দফা নির্বাচন একদিনে করার অনুরোধ মমতার

0
105

একুশে বাংলা বিধানসভা নির্বাচন ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। আগামী ১৭ এপ্রিল রয়েছে পঞ্চম দফার নির্বাচন। ইতিমধ্যেই নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসাবে রাজ্যের প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল পূর্ণ উদ্যমে ভোট প্রচার করতে মাঠে নেমে পড়েছে।

এরইমধ্যে তৃণমূল ও বিজেপি নেতাদের বাকবিতণ্ডায় রীতিমতো সরগরম হয়ে রয়েছে গোটা বঙ্গ রাজনীতি। তবে সেই সাথে রাজ্যবাসীর উদ্বেগ বাড়াচ্ছে করোনার দৈনিক সংক্রমনের পরিসংখ্যান।

এপ্রিল মাসের শুরু থেকে দেশজুড়ে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। এখন প্রতিদিন প্রায় দেশজুড়ে ২ লাখের বেশি সংক্রমণ হচ্ছে।

এই ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতির মাঝে বাংলা নির্বাচন আরও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। কারণ নির্বাচনের জন্য প্রায় প্রতিদিন রাজ্যের প্রতিটি জেলায় একের পর এক জনসভা ও রোড শো হচ্ছে।

তাতে উপস্থিত থাকছেন হাজার হাজার মানুষ যারা সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাকে তোয়াক্কা না করে মেলামেশা করছে। এছাড়াও কারোর মুখেই মাস্ক দেখা যাচ্ছে না।

বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে শুধুমাত্র প্রতিদিন ৬০০০ এর কাছাকাছি মানুষ দৈনিক সংক্রামিত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি ইত্যাদি জেলায়।

এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন দিনভর বৈঠক করলেও সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে পূর্বনির্ধারিত রীতিতে নির্বাচন হবে। তবে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এরইমাঝে কমিশনকে অনুরোধ জানিয়ে টুইট করে লিখেছেন যে,

“রাজ্যে করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ১৭ তারিখের পরের তিনটি নির্বাচন একদিনের করে নেওয়া যায় না? যত বেশি নির্বাচন চলবে ততক্ষণ করোনা সংক্রমণ আটকানো যাবেনা। রাজ্যের পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হয়ে যেতে পারে।”

আসলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথম থেকে ৮ দফা নির্বাচনের তীব্র বিরোধী ছিলেন। তিনি সম্প্রতি বলেছেন, “আমরা প্রথম থেকে 8 দফা নির্বাচনের বিরোধিতা করে আসছি। সব রাজ্যে একপর্যায়ে নির্বাচন হচ্ছে।

তাহলে আমাদের রাজ্যে ৮ দফা কেন? করোনার সংক্রমণ যেমনভাবে বাড়ছে সেই সময় কি এতদিন ভোট হওয়ার কোন দরকার ছিল?” প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আগামীকাল শনিবার পঞ্চম দফা নির্বাচন হওয়ার পর আরও তিন দফা নির্বাচন বাকি থাকবে। সেগুলি হবে ২২, ২৬ ও ২৯ এপ্রিল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here