Breaking News

দেবাংশুর মা-কে নিয়ে লেখা কবিতা শুনে আবেগে ভাসলো গোটা “দিদি নাম্বার-১” মঞ্চ, ভিডিও ভাইরাল

বর্তমান যুগে প্রতিনিয়ত উন্নতি হচ্ছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির। প্রত্যেকের হাতেই রয়েছে স্মার্টফোন। স্মার্টফোন ও ইন্টারনেটের দুনিয়ায় কোনরকম বিনোদনের অভাব নেই। বাড়িতে বসে বিভিন্ন ধরনের মজার জিনিস উপভোগ করা যায়। বাঙ্গালীদের মধ্যে স্মার্টফোন ব্যতীত বোকা বাক্সে সময় কাটানো খুবই সাধারন ব্যাপার। সোজা ভাষায় টিভি দেখে অনেকেই অতিরিক্ত সময় অতিবাহিত করে। প্রত্যেক বাঙালির বাড়িতেই কমবেশি সন্ধে হলেই শুরু হয় ধারাবাহিক প্রবাহ। একের পর এক বাংলা সিরিয়ালের ফ্যান আমাদের বাড়ির মা কাকিমারা।

সিরিয়াল ছাড়াও বাংলা চ্যানেল জি বাংলার অন্যতম একটি শো হলো দিদি নম্বর ওয়ান। প্রতিদিন বিকেলে রাজ্যের প্রায় সমস্ত গৃহবধূ এই রিয়েলিটি শো দেখে সময় কাটান। এই রিয়েলিটি শোয়ের সঞ্চালক টলিউড অভিনেত্রী রচনা ব্যানার্জি। তিনি বর্তমানে অভিনয় জগতের সাথে যুক্ত না থাকলেও দিদি নম্বর ওয়ান হিসাবে তার খ্যাতি চারিদিকে। এছাড়া পুরনো দিনের রচনা ব্যানার্জীর টলিউড জগতে অবদান অনস্বীকার্য। এখন দিদি নম্বর ওয়ান রিয়েলিটি শো রচনা ব্যানার্জি ছড়া অসম্পূর্ণ।

প্রতিদিন বিকেলে জি বাংলার পর্দায় চারজন দিদিকে নিয়ে শুরু হয় দিদি নম্বর ওয়ান রিয়েলিটি শো। এই রিয়েলিটি শোয়ের মূল উদ্দেশ্য হল যে এটা প্রমাণ করা, বাংলার নারীরা কোন অংশে কম নয়। সবাই প্রতিকূল পরিস্থিতির সাথে লড়াই করে জীবন যুদ্ধে এগিয়ে থাকে। প্রত্যেক নারী বা প্রত্যেক মা এই জীবনের যাঁতাকলে পিষে গিয়েও সংসারের জন্য সবার আগে রক্ষক হিসেবে দাঁড়িয়ে থাকে।

এই রিয়েলিটি শোতে গত রবিবার উপস্থিত হয়েছিলেন বেশকিছু বিখ্যাত তরুণ বাংলা সেলিব্রেটি ও তাদের মায়েরা। ছিলেন অভিনেতা সায়ক চক্রবর্তী, ইউটিউবার কিরণ দত্ত, টুম্পা খ্যাত আরব দে ও তৃণমূল কংগ্রেস মুখপাত্র দেবাংশু ভট্টাচার্য্য। সম্প্রতি এই 4 জন তরুণ সোশ্যাল মিডিয়ার সেন্সেশন। প্রত্যেকেই সোশ্যাল মিডিয়া দুনিয়ায় তাদের উজ্জ্বল উপস্থিতি প্রতি সেকেন্ডে প্রমাণ করছে।

রবিবারের দিদি নম্বর ওয়ান শো বেশ টানটান উত্তেজনার ছিল। ওইদিন বাড়ির মা কাকিমা থেকে শুরু করে তরুণ যুবক যুবতীরা তাদের সোশ্যাল মিডিয়া সেলিব্রিটিদের দেখার জন্য জি বাংলা সিনেমা চ্যানেলে বিকেল থেকেই চোখ রেখে ছিলেন। বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়াতে রিয়েলিটি শো এর বেশ কিছু অংশ ব্যাপক ভাইরাল হচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম একটি হলো দেবাংশু ভট্টাচার্য এর কবিতা।

আশাকরি সকলেই হয়তো দেবাংশু ভট্টাচার্য এর নামটা জানেন। একুশে বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের জয়ের অন্যতম কাণ্ডারী বলা যায় দেবাংশু কে। সে যুব তৃনমূলকে বাংলার কোনায় কোনায় গিয়ে দিদির পাশে থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়াতে একের পর এক লাইভ ভিডিও বানিয়ে বাংলার মানুষকে দেবাংশু বুঝিয়েছে তৃণমূলের মাহাত্ম্য। তার এই প্রচেষ্টার ফল তৃণমূলের বিরাট জয়। এছাড়াও তৃণমূলের অন্যতম প্রধান স্লোগান খেলা হবে বা ডিজে গান ভার্সন দেবাংশু তৈরি করেছিল যা দলের প্রচারের থিম হয়ে উঠেছিল।

দিদি নম্বর ওয়ান মঞ্চে গিয়ে দেবাংশু ভট্টাচার্য তার মায়ের জন্য লিখে আনা একটি কবিতা পড়ে শোনান সকলকে। কবিতা শুনে আবেগপ্রবণ হয়ে যায় সকল দর্শক। কবিতার মাধ্যমে দেবাংশু সমগ্র মা জাতির জয়জয়কার করেছেন। প্রত্যেকের মা তাদের সন্তানকে যেকোনো পরিস্থিতি থেকে নিজের জীবনের বাজি রেখে বাঁচাতে চেষ্টা করে। মায়েদের কোন ক্লান্তি নেই।

সংসারের জন্য শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা গোটা দিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে দেয়। সন্তানদের জন্য তারা প্রাণপাত করে দিতে দ্বিধাবোধ করে না। দেবাংশুর কবিতা রচনা ব্যানার্জি নিজেও খুবই প্রশংসা করেন। দেবাংশু বর্তমানে নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক একাউন্টে এই কবিতার অংশটি পোস্ট করেছেন যা নেটিজেনরা প্রচুর পরিমাণে শেয়ার করে ভাইরাল করে দিয়েছে।

Check Also

অভিনব উদ্যোগ! বিয়ের অনুষ্ঠানে গাছ লাগিয়ে, রক্তদান শিবিরের আয়োজন করে নজির গড়লেন নবদম্পতি

বর্তমান যুগে প্রযুক্তি মানুষের চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছে। প্রযুক্তির বলে বলিয়ান হয়ে মানুষ রোজকার জীবনে সুখ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *